Feature Img

shahriar_k3’৭১-এর যুদ্ধাপরাধীদের প্রধান দল জামায়াতে ইসলামীর মজলিশে শুরার অধিবেশনে মতিউর রহমান নিজামী সরকারকে আবারও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার না করার কথা বলেছেন। ৭ ডিসেম্বর দলের এই শীর্ষ বৈঠকে তিনি কলের গানের পুরনো ভাঙা রেকর্ডটি আবারও বাজিয়েছেন – জামায়াতি নাকি ’৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের সময় কোনও গণহত্যা বা যুদ্ধাপরাধীদের সঙ্গে যুক্ত ছিল না, নাকি এর কোনও প্রমাণ নেই। নিজামী আরও বলেছেন যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নাকি ইসলামবিরোধী! একই সঙ্গে ’৭১-এর সংবিধানকেও নিজামী ইসলামবিরোধী বলেছেন।

নিজামীদের ইসলাম আর প্রকৃত ইসলাম যে এক নয় এ কথা জামায়াতের জন্মের পর থেকেই উপমহাদেশের আলেম সম্প্রদায় বলে আসছেন। নিজামীদের ইসলামে গণহত্যা, নারী নির্যাতন, লুণ্ঠন, গৃহে অগ্নিসংযোগ ইত্যাদি যাবতীয় জঘন্য অপরাধ হচ্ছে জায়েজ এবং ওয়াজেব। যারা এসব নৃশংস অপরাধের জন্য দায়ী তাদের সমালোচনা কিংবা বিচারের কথা বলা জামায়াতের ফতোয়া অনুযায়ী ইসলামবিরোধী।

জামায়াতের ইসলাম অনুযায়ী পাকিস্তানের সমালোচনা করাও ইসলামবিরোধী। ’৭১ –এ জামায়াতের বর্তমান আমীর মতিউর রহমান পাকিস্তানকে ‘আল্লাহর ঘর’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছিলেন। ভাগ্যিস পাকিস্তানের মতো বাংলাদেশে ‘ব্লাসফেমি আইন’ নেই। থাকলে জামায়াত, পাকিস্তান ও নিজামীদের সমালোচনার জন্য আমাদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হত।

’৭১-এর যুদ্ধাপরাধ এবং যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সম্পর্কে জামায়াতের মিথ্যাচার ও মোনাফেকি শুনতে শুনতে আমরা বিরক্তির চরম সীমায় পৌঁছে গেছি। ’৭১-এর মুক্তিযুদ্ধে জামায়াত কীভাবে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর গণহত্যা, যুদ্ধাপরাধ ও মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের পক্ষে ছিল, কীভাবে এসব নৃশংস অপরাধে তাদের প্ররোচিত করেছে এবং কীভাবে নিজেরা স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে পাকিস্তান ও ইসলাম রক্ষার কথা বলে রাজাকার-আলবদর ইত্যাদি ঘাতক বাহিনী গঠন করে হত্যা-ধর্ষণ-নির্যাতন লুণ্ঠনে অংশগ্রহণ করেছে তার তথ্যপ্রমাণ পাওয়া যাবে জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের এলাকার ভুক্তভোগী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান থেকে।

লিখিত প্রমাণ পাওয়া যাবে জামায়াতের দলীয় মুখপত্র দৈনিক সংগ্রাম-এর তখনকার ফাইল এবং পাকিস্তানের গোয়েন্দা বিভাগের দলিলপত্র থেকে। জামায়াতের শীর্ষ নেতারা কীভাবে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর যাবতীয় দুষ্কর্ম সমর্থন করেছে, মুক্তিযোদ্ধাদের কী কুৎসিত ভাষায় গালিগালাজ করেছে তার শত শত বিবরণ পাওয়া যাবে ’৭১-এর দৈনিক সংগ্রাম-এ।

স্বাধীন বাংলাদেশের বিএনপির বদৌলতে জামায়াত যখন থেকে রাজনীতি করার সুযোগ পেয়েছে তখন থেকে দলের শীর্ষ নেতারা বলছেন: ’৭১-এ আমরা ভুল করিনি।

জামায়াতের বিবেচনায় হত্যা-ধর্ষণ-লুণ্ঠন যেহেতু ইসলামের সমার্থক ও জায়েজ সেহেতু এ কথা তারা বলতেই পারে যে ’৭১-এ তারা কোনও ভুল করেনি।

কিন্তু জামায়াত যখন বলে মুক্তিযুদ্ধের সময় তারা স্বাধীনতার পক্ষে ছিল, হত্যা-ধর্ষণ-নির্যাতন-লুণ্ঠন কিছুই করেনি তখন বলতেই হবে: সকল ধর্মীয় ও ধর্মনিরপেক্ষ আইনে এসব অপরাধের যে সংজ্ঞা দেওয়া আছে তা ঠিক নয়।

আমাদের পেনাল কোড সংশোধন করে লিখতে হবে হত্যা-ধর্ষণ-লুণ্ঠন-নির্যাতন অন্য সকলের ক্ষেত্রে অপরাধ হলেও জামায়াত করলে কখনও তা অপরাধ হবে না, কারণ জামায়াতের যাবতীয় কাজ ইসলামের জন্য।

জামায়াত যখন বলে ’৭১-এ আমরা ভুল করিনি, তখন তা বুঝতে অসুবিধে না হলেও যখন বলে ’৭১ এ জামায়াত যুদ্ধাপরাধের সঙ্গে যুক্ত ছিল না তখন প্রশ্ন করা যেতে পারে – ’৭১ এ জামায়াত যে পাকিস্তানি সামরিক জান্তার অধীনে পূর্ব পাকিস্তান সরকারের মন্ত্রিসভায় দুটি পদ হাতিয়ে নিয়েছিল এবং রাজাকার, আলবদর বাহিনী গঠন করেছিল তার উদ্দেশ্য কী ছিল?

জামায়াত নিশ্চয়ই আল্লাহর ইবাদত বন্দেগি করার জন্য শান্তিকমিটি বা রাজাকার-আলবদর বাহিনী গঠন করেনি? ’৭১-এ রাজাকাররা কীভাবে মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিকামী বাঙালিদের ‘ভারতের চর’, ‘ইসলামের দুষমন’ ও ‘দুষ্কৃতকারী’ আখ্যা দিয়ে হত্যা করেছিল তার সংবাদও ’৭১-এর দৈনিক সংগ্রাম-এ পাওয়া যাবে।

‘গণহত্যা’, ‘যুদ্ধাপরাধ’, ‘মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ’ ও ‘শান্তির বিরুদ্ধে অপরাধ’ সংজ্ঞায়িত হয়েছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর। তবে হত্যা, ধর্ষণ, লুণ্ঠন, নির্যাতন প্রভৃতি যে দণ্ডনীয় অপরাধ তা সকল ধর্মীয় আইন ও ধর্মনিরপেক্ষ আইনে সুস্পষ্টভাবে বলা হয়েছে।

‘হত্যা সব ধর্মেই মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধ। যুদ্ধের সময় নিরস্ত্র মানুষকে হত্যা সম্পর্কে কঠোর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে ইসলামী আইন ও বিধানে। ‘হত্যা’ ছাড়া ও কোরানে অন্য যে সব অপরাধকে মৃত্যুদণ্ডযোগ্য বলা হয়েছে তার ভেতর বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে ‘রাষ্ট্রদ্রোহিতা’, ‘সন্ত্রাস,’ ‘লুণ্ঠন’ ও ‘ধর্ষণ’।

’৭১-এর মুক্তিযুদ্ধকালে জামায়াত কোরানে বর্ণিত মৃত্যুদণ্ডযোগ্য সকল অপরাধ করেছে। যুদ্ধাপরাধের বিচার ইসলামবিরোধী বলার অর্থ শুধু ইসলামবিরোধিতা বা ধর্মদ্রোহিতা নয়, এটি ধর্মনিরপেক্ষ আইনেও পরিপন্থী, একই সঙ্গে বাংলাদেমের সংবিধানেরও বিরুদ্ধাচারণ।

নিজামীরা মনে মনে নিজেদের যাই ভাবুন প্রকাশ্যে তারা বাংলাদেশের নাগরিকত্ব মেনে নিয়েছেন। তারা বাংলাদেশের ভোটার তালিকায় নাম লিখিয়েছেন, বাংলাদেশের পাসপোর্ট নিয়েছেন, নির্বাচনে দাঁড়িয়েছেন, সাংসদ ও মন্ত্রীও হয়েছেন।

বাংলাদেশের যে কোনও নাগরিক এদেশের সংবিধান মানতে বাধ্য। বাংলাদেশের সংবিধানের প্রথম বাক্যেই বলা হয়েছে ১৯৭১-এর ২৬ মার্চ থেকে বাংলাদেশ একটি স্বাধীন রাষ্ট্র।

’৭১-এর ২৬ মার্চ থেকে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত এ দেশটি ছিল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর দখলে। তাদের দখল থেকে মুক্ত করার জন্য বাংলাদেশের মানুষ যুদ্ধ করেছে। ভারত মিত্র হিসেবে ’৭১ এর মুক্তিযুদ্ধে জয়ী হতে আমাদের সাহায্য করেছে।

এই যুদ্ধে বাংলাদেশের স্বাধীনতার শত্রু ছিল পাকিস্তান। যারা তখন পাকিস্তানের পক্ষে ছিল তারাও ছিল বাংলাদেশের শত্রু। জামায়াত ’৭১-এ বাংলাদেশের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে এবং এদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধরত পাকিস্তানের পক্ষে থেকে রাষ্ট্রদ্রোহিতা করেছে, যা ইসলামী আইন কিংবা বাংলাদেশের প্রচলিত ধর্মনিরপেক্ষ আইনেও মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধ। কেউ কোন অপরাধীকে রক্ষা করতে চাইলে সে ব্যক্তিও অপরাধে সহযোগিতার দায়ে শাস্তি পাবে।

জামায়াত একদিকে বলছে তারা যুদ্ধাপরাধ করেনি, অপরদিকে বলছে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করা যাবে না। জামায়াত যদি যুদ্ধাপরাধ না করে – বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে ভয় পাচ্ছে কেন? নিজামীরা যদি নিরাপরাধ হন তাহলে আদালতে দাঁড়িয়ে কেন তা প্রমাণ করেন না। ২০০১ সালে নিজামীরা ক্ষমতায় এসে আমার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ এনে গ্রেপ্তার ও বন্দি করেছিলেন।

তখন দেশে ও বিদেশে বহু সংগঠন ও ব্যক্তি আমার বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে মুক্তির দাবি জানিয়েছিলেন।

‘এ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল’ ও ‘হিউম্যান রাইটস ওয়াচ’ সহ বহু আন্তর্জাতিক সংস্থা মামলা প্রত্যাহার করে আমাকে মুক্তি দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখেছিল। আমার আইনজীবীরাও মামলা প্রত্যাহারের কথা বলেছিলেন।

আমি আদালতে দাঁড়িয়ে বলেছিলাম, আমি মামলা প্রত্যাহারের পক্ষে নই। আমি এই মামলা লড়তে চাই এটা প্রমাণ করার জন্য রাষ্ট্রদ্রোহী আমি নই, যারা আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছে তারাই রাষ্ট্রদ্রোহী। নিজামীরা পাঁচ বছর ক্ষমতায় ছিলেন।

বহু চেষ্ট করে বহু লোককে ভয়/প্রলোভন দেখিয়ে আমার বিরুদ্ধে সাক্ষী বানাবার চেষ্টা করেছিলেন কিন্তু পাঁচ বছরে অনেক কাঠখড় পুড়িয়েও আমার বিরুদ্ধে কোনো চার্জশিট তারা আদালতে দাখিল করতে পারেননি। অপরাধী না হলে আদালতকে কারও ভয় পাওয়া উচিৎ নয়?

মহাজোট সরকার যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের উদ্যোগ করেছে মাত্র, এখনও কোন ট্রাইবুনাল গঠন করা হয়নি। সরকার মুধু যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের কথা বলেছে, নিজামী বা নিজামীদের বিচারের কথা বলেনি। কে যুদ্ধাপরাধী, গঠিতব্য ট্রাইবুনালে কার কার বিচার হবে এ বিষয়ে যারা তদন্ত করে অভিযোগনামা তৈরি করবে সেই তদন্ত সংস্থাও এখন পর্যন্ত গঠন করা হয়নি।

অথচ ঠাকুরঘরে কলা খাওয়ার প্রবচনের মতো নিজামীরা শুরু থেকেই চেঁচামেচি শুরু করেছেন – তারা যুদ্ধাপরাধ করেননি, বঙ্গবন্ধু যুদ্ধাপরাধীদের ক্ষমা করে দিয়েছেন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করা যাবে না, আগে কেন আওয়ামী লীগ বিচার করেনি ইত্যাদি ইত্যাদি।

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বানচাল করার জন্য জামায়াত ও তাদের আন্তর্জাতিক মুরুব্বিরা জঙ্গী মৌলবাদীদের লেলিয়ে দিয়েছে মহাজোট সরকারের বিরুদ্ধে।

গত এগার মাসে যে সব জঙ্গী নেতা গ্রেপ্তার হয়েছে তারা কবুল করেছে তারা কীভাবে জামায়াতের সঙ্গে সম্পৃক্ত। কীভাবে জামায়াত বিএনপি ফ্রিডম পার্টির নির্দেশে ও সহযোগিতায় ২০০৪-এর ২১ আগস্ট বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের মূল নেতৃত্বকে তারা হত্যা করতে চেয়েছিল, কীভাবে তারা এখনও শেখ হাসিনা সহ শীর্ষস্থানীয় রাজনীতিবিদ, পেশাজীবী ও মুক্তচিন্তার বুদ্ধিজীবিদের হত্যার পরিকল্পনা করছে।

গ্রেপ্তারকৃত জঙ্গী নেতাদের জবানবন্দি থেকে এটা স্পষ্ট হয়ে গেছে জামায়াত ’৭১-এর অবস্থান থেকে এতটুকু সরে আসেনি। ’৭১-এর পরাজয়ের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ২০০৮ সালের নির্বাচনে শোচনীয় পরাজয়ের গ্লানি। এই গ্লানি জামায়াতের প্রতিহিংসার আগুনকে আরও উস্কে দিয়েছে।

নিজামীরা বুঝে গেছেন যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া আরম্ভ হলে তাদের অতীতের যাবতীয় দুষ্কর্ম তরুণ প্রজন্মের সামনে উন্মোচিত হবে। অর্থ ও অস্ত্রের জোরে যেটুকু অবস্থান তারা এখনও আঁকড়ে ধরে আছেন এই বিচার প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতায় তা নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে।

তাই ’৭১-এর মতো তারা ইসলাম ধর্মের আড়ালে আত্মরক্ষা করতে চাইছেন। জামায়াতের নেতাদের সবচেয়ে বড় দুর্ভাগ্য তারা ইতিহাস থেকে কখনও শিক্ষা গ্রহণ করেন না। ’৭১ এ ইয়াহিয়া, ইসলাম, আমেরিকা কিছুই জামায়াতকে রক্ষা করতে পারেনি।

যুদ্ধাপরাধের বিচার থেকেও জামায়াতকে কেউ রক্ষা করতে পারবে না। জামায়াতের যুদ্ধাপরাধীদের সামনে একটাই পথ খোলা আছে বিচারে ফাঁসি থেকে রেহাই না পেলেও অনন্তকাল দোজখের আগুন থেকে বাঁচতে চাইলে ’৭১-এর অপরাধের জন্য আল্লাহর কাছে, তিরিশ লক্ষ শহীদের পরিবারের কাছে এবং বাংলাদেশ ও বাঙালি জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়া।

জঙ্গী মৌলবাদীদের গডফাদার, যুদ্ধাপরাধীদের দল জামায়াত বাংলাদেশে রাজনীতি করতে পারত না যদি জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া তাদের আশ্রয় প্রশ্রয় না দিতেন, এমপি মন্ত্রী না বানাতেন। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু হলে খালেদা জিয়া আগের মতো তাদের মাথায় তুলে নাচবেন কি না এটাও আমরা দেখতে চাই।

নিজামীর মতো খালেদাও যুদ্ধাপরাধকে ‘ইসলামসম্মত’ বলে ফতোয়া দেন কিনা বিজয়ের মাসে সেটাও আমাদের জানা দরকার।

৩৬ প্রতিক্রিয়া -- “যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এবং নিজামীদের ‘ইসলাম’”

  1. kulsum

    শাহরিয়ার সাহেবের নাম দেখলেই বলা যায় ওনি কী লিখবেন। আমরাও রাজকারদের বিচার চাই। তবে এখন যাদের বিচার হচ্ছে এরাতো আলবদরের লোক – রাজাকার না। তাইতো বলি এটা রাজনীতিক বিচার নয়তো? মুসলিমলীগ ছিল রাজাকার। তাদের অনেকেই এখন আওয়ামীলীগের নেতা। বাংলা একাডেমীর স্বাধীনতার কোষ পড়ুন।

    জবাব
  2. এম. ইউ খান খোকন

    প্রায় একুশ বছর দেশে ক্ষমতা দখল করে ছিল বিএনপি জামাত জোট । এরা সবাই আসলে পাকপন্থি । রাজাকার আলবদর জামাতীদের এদেশে পুনর্বাসন করেছে জিয়া সরকার এবং তার ধারাবাহিকতায় খালেদা ।
    এদের রাজত্বকালেই এদেশে দূর্নীতির ভয়াবহ বিস্তার ঘটেছে । আমাদের একটি তরুন প্রজন্মকে সর্বদিক দিয়ে ধ্বংষ করেছে । হতাসা, মাদকের সর্বনাসা ছোবল,মেধা শুন্যতায় শিক্ষাক্ষেত্রে অরাজকতা, চরিত্রকে কুলষিত করা এসবই বিস্তার ঘটেছে বিএনপি জামাতের দীর্ঘ শাসন কালে । এই সময়ই জামাত সুদুর প্রসারি পরিকল্পনায় এদেশে একদল তরুনকে শিবির এর রাজনীতিতে সম্পৃক্ত করে । মেধাবী ছাত্রদের পড়ার খরচ দিয়ে ,ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখিয়ে, ইসলামের অনুশাষনের শিক্ষা দিয়ে “মগজ ধোলাই” করে । এরা এখন জামাত এর চরিত্র বুঝতে পারলেও মগজ ধোলাইর কারনে বিভ্রান্ত । কি করবে কোন দিকে যাবে বুঝতে পারছেনা । এদের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নাই…আছে জামাতের শিখিয়ে দেয়া ভুলতত্ত । এর মেধাবী, শিক্ষিত, চরিত্রবান, এরা কোন খারাপ কাজে জরিত হয়না কিন্তু জামাত এদেরকে তাদেঁর রাজনৈতিক স্বার্থে কিভাবে ব্যবহার করবে সেটিও জানেনা । জামাত নেতাদের মুখোশ এদের অনেকের কাছেই উন্মোচিত হয়েছে কিন্তু এরা প্রকাশ করতেও পারছেনা…এরা সত্যিই বিভ্রান্ত ।এদের এই বিভ্রান্তি থেকে বের করে সঠিক রাস্তায় আলোর পথে বের করে আনতে হবে । কিন্তু এদেরকে ওই ভুল পথ থেকে বের করে আনবার মতো যোগ্য নেতা কোথায় ?

    জবাব
  3. Mozammel

    Prosecution of war criminals and Jamat Islami made good combination of thought.
    All war criminals belong to Jamate Islami and peole who died were bengali and no non-bengali.
    If some non-bengali were there they must be killed by some one also.Who will judge for it?
    Who has occupied buildings in Mohd.pur,Mirpur,Ishwardi,Santahar,Sayedpur,Khulna panchlais,in Chittagong which belonged to non-bengali and were developed with sweat and blood like any other begali?
    Who is going to judge?

    জবাব
  4. মাহমুদুল হক সৈয়দ

    সত্যিকারের মুসলমান কখনো মিথ্যা দিয়ে সত্যকে ঢাকতে চায় না। শুনেছি জামাতে ইসলামীর কর্মীরা, সৌদি আরবে ৩০০ থেকে ৫০০ রিয়াল বেতনে চাকুরি করে এমন শ্রমিকের কাছ থেকেও মাসিক চাঁদা ওঠায়, তাও মসজিদের পাশে বসে। মসজিদের বারান্দায় বসে। মিথ্যা (ইসলামের) দোহাই দিয়ে।

    তারা যে মাওলানা মওদুদীর রাজনীতি করে, পাকিস্তানে তো মওদুদীর অনুসারীরা মানুষের রগ কাটে না। স্বাধীনতার সময় থেকে এ যাবৎ তারা যে কাজকর্ম করেছে তা মুসলমানের কাজ নয়। আরবদেশ থেকে মুসলমানরা হিন্দু হয়ে যাচ্ছে এই মিথ্যা কথা বলে ভিক্ষা এনে নিজেরা কোটিপতি।

    একজন সত্যিকারের মুসলমান নিজ ইবাদতে মগ্ন থাকলে এবং নিজে হালাল রোজগারের খাবার খেলে তার কাছে রাজনীতি করার সময় থাকে কখন? এরা নিজেরাই হালাল খাবার খায় না। অভিজ্ঞতার আলোকে বলছি, হালাল খাবার যিনি খাবেন তার মধ্যে শয়তানি বা ভণ্ডামি ঢুকতে পারে না।

    জবাব
  5. রিফাত

    জনাব কবিরকে ধন্যবাদ দিতে পারছিনা । যুদ্ধাপরাধীদের বিচার অবশ্যই হওয়া উচিত কিন্তু তার আগে বাংলাদেশের মাটিতে বসে ভারতের দালালি যারা করে তাদের বিচার হওয়া উচিত ।

    জবাব
  6. P. Ptraput

    মাহবুব,

    আপনার রগকাটা জামাত-শিবিরের ইসলামে এই দেশের মানুষের কি আদৌ কোন আগ্রহ আছে? এদেশের মানুষগুলোকে এতো বোকা ভাবেন কেনো?

    জবাব
  7. শাওন নজরুল ইসলাম

    একটা শক্তিশালী বৈজ্ঞানিক তত্ব নিয়েও প্রশ্ন তোলা সম্ভব,কিন্তু ইসলাম নিয়ে নয়!কিন্তু কেনো?
    এইদেশের যুদ্ধাপরাধীদের প্রধান অবলম্বন হচ্ছে জামায়াত।তাদের বিপক্ষে অবশ্যই কথা বলতে হবে।

    জবাব
  8. সোলায়মান কবির

    ১৯৭৩ সালের জানুয়ারিতে ভিয়েতনাম সংহতি মিছিলে আওয়ামী ফ্যাসিস্ট চক্র গুলি চালালে সারাদেশে ব্যাপক প্রতিবাদ শুরু হয়। সে সময় আওয়ামী ক্যাডাররা প্রেসক্লাবের পেছনে ন্যাপের কেন্দ্রীয় কার্যালয়টি জ্বালিয়ে দেয়। ন্যাপের তৎকালীন নেত্রী মতিয়া চৌধুরী সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের প্রতিবাদ সভায় শেখ মুজিবের প্রতি ধিক্কার জানিয়ে বলেছিলেন, ‘তুমি আর বঙ্গবন্ধু নও। আজ থেকে তুমি বঙ্গশত্রু।

    সেই সময় শাহরিয়ার কবির গলাবাড়িয়ে আরও একধাপ উচ্চস্বরে লিখে বসলো, “ মুজিব আর বঙ্গবন্ধু নয়, এখন থেকে মুজিব জনশত্রু।”

    এই শাহরিয়ার কবির এখন আওয়ামী লীগের কলম সৈনিক! ভাবতে অবাক লাগে !

    জবাব
  9. নাইম

    যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতেই হবে, যে কোনো মূল্যে। না হলে ওরা এভাবেই ফাল পারবে।ভালই গলা কাটা রগ কাটা ছেড়ে শিবির এখন ভদ্রলোক হইছে ।জনগণ এখন অনেক সচেতন তাইত নিজামি -মুজাহিদ গং কে প্রত্যাখ্যান করেছে।

    জবাব
  10. Anupam

    I think this writing of S Kabir was a waste. Because reading the comments, I was very upset. Bangladesh, which was liberated through 9 months’ bloody war, is now full of ‘Razakars’. The old ‘Razakars’ like Niazmi, Gulam Azam and Saydee are giving birth to thousands, millions and billions of ‘New Razakars’. These ‘New Razakars’ will turn Bangladesh to a new Pakistan one day. Wait and see.

    জবাব
  11. Mahbub

    আবেগ তাড়িত দলীয় দৃষ্টিকোণ থেকে লেখা। একই কথা বার বার ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বলেছেন কবির সাহেব এবং উনার লেখায় ইসলাম বিদ্বেষ ফুটে উঠেছে। উনার টার্গেট শুধু জামায়াতে ইসলামী। আসল রাজাকার হল মুসলিম লীগের লোকগুলো, পরবর্তিতে মুসলিম লীগের লোকগুলো অন্য সব দলে ছড়িয়ে পড়ে। তাদের ব্যাপারে কবির সাহেব কোন কাথাই বলতে নারাজ।

    জবাব
  12. দেশপ্রেমিক

    শাহরিয়ার কবির লিখেছেন, ’৭১-এর মুক্তিযুদ্ধে জামায়াত কীভাবে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর গণহত্যা, যুদ্ধাপরাধ ও মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের পক্ষে ছিল, কীভাবে এসব নৃশংস অপরাধে তাদের প্ররোচিত করেছে এবং কীভাবে নিজেরা স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে পাকিস্তান ও ইসলাম রক্ষার কথা বলে রাজাকার-আলবদর ইত্যাদি ঘাতক বাহিনী গঠন করে হত্যা-ধর্ষণ-নির্যাতন লুণ্ঠনে অংশগ্রহণ করেছে তার তথ্যপ্রমাণ পাওয়া যাবে জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের এলাকার ভুক্তভোগী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান থেকে।’

    যদি তাদের বিরুদ্ধে খুন,ধর্ষন, লুটপাটের মত মানবতাবিরোধী অপরাধের এত প্রমাণ থেকে থাকে তাহলে শেখ মুজিব ও শেখ হাসিনার আমলে তাদের বিরুদ্ধে কোন মামলা করা হয়নি কেন?

    জবাব
  13. tanim

    জনাব শাহরিয়ার,
    আপনার মুখে এসব এখন আর মানায় না।
    দেশে হাজারো সমস্যা বিদ্যামান। অথচ
    আপনাদের মতো পরগাছা বুদ্ধিজীবিরা আছেন
    শুধু আজাইরা কাম নিয়া।

    আপনার এত ইসলাম প্রিয় লেখনী দেখে কান্না পাচ্ছে। আপনি বা আপনাদের ফ্রন্ট ইস্লামের জন্য কি কি করছেন, সেইটা নিয়ে আগে পোষ্ট দেন, তারপর ‘অন্যের ইসলাম’ নিয়ে কথা বইলেন।

    জবাব
  14. দুরন্ত মাহমুদ

    আমি শাহরিয়ার কবীরের কাছে কিছু সুনির্দিষ্ট বিষয়ে জানতে চেয়েছিলাম । আশা করছি উত্তর পাবো । ৭১ সালে জামাতের আচরন অবম্যই প্রশ্নবিদ্ধ । তা নিয়ে আমার কোন প্রশ্ন নেই । আমার প্রশ্নটি ছিল বর্তমান যারা শিবির করে, এই যে আমার মতো বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া শপথ বদ্ধ হয়েছি কখনও মাদক নিবো না, অপরকে ঠকাবো না, দুর্ণীতি করবোনা, অন্যায় কোন কাজ করবো না । এই আমার ২৫ বছর বয়সে কখনও তা করিনি । কখনও পরীক্ষায় নকল করিনি । সব সময় মনে করেছি আল্লাহ এর কাছে আমার অন্যায় কাজের হিসাব দিতে হবে । এই দেশকে ভালবাসি, ভালবাসি এই দেশের মানুষকে । আর এই ভূমিতে এক সুন্দর সমাজ বিনির্মানের জন্য দিবানিশি চেষ্টা করছি ।

    শাহরিয়ার কবির সাহেব আপনি এই তরুন সমাজের কাজকে কি ভাবে ধেখছেন । আপনি কীমনে করেন ইসলাম একটি আদর্শ এবং মুসলমানরা বিশ্বাস করে এটি একটি বিঝয়্যী আদর্শ, প্রফেসর হান্টিংটন ও যা স্বীকার করেছেন । এবং আগামী দিনে সাম্যাজ্রবাদের সবচেয়ে শক্তি শালী প্রতিদ্ধন্ধী এই আদর্শের পতাকা বাহীরা যারা পদ্ধতিগত ভাবে ইসলামী সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করছে । আশা করছি উত্তর দিবেন । সবার উপর শ্রদ্ধা রাকছি ।

    জবাব
  15. aslam

    বাংলাদেশে যারাই ভারেতর আগ্রাসন ও আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে কথা বলেন – শাহরিয়ারদের কাজই হচ্ছে তাদেরকে যুদ্ধাপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করে মিথ্যা তথ্য দিয়ে বানোয়াট নিবন্ধ লিখে মানুষকে বিভ্রান্ত করা।

    জবাব
  16. চঞ্চল বালি

    শাহা কবির লিখেছেন : “জঙ্গী মৌলবাদীদের গডফাদার, যুদ্ধাপরাধীদের দল জামায়াত বাংলাদেশে রাজনীতি করতে পারত না যদি জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া তাদের আশ্রয় প্রশ্রয় না দিতেন, এমপি মন্ত্রী না বানাতেন।” কবির বাবু কি জানেন না কোন সরকার এমপি বানাতে পারে না, পারে জনগণ। ২০০১ সালে স্বাধীন বাংলার জনগণ ভোট দিয়ে নিজামিকে পবিত্র সংসদে পাঠিয়েছিলো। খালেদা জিয়া এরপর তাকে মন্ত্রী বানিয়েছিলেন। বাবু কবিরের বিবেচনায় এখন পাবনার সেই লাখো ভোটারকেও যুদ্ধ অপরাধের দায়ে বিচার করা হোক।

    জবাব
  17. মৌলানা টি, চৌধুরী

    এইযে মিঃ পিনাক, দুরন্ত আর মামুন,খালেদ

    ভুলে গেছেন বুঝি যে এইটা বাংলাদেশ! আপনাগো বাপোর দেশ না! এই দেশো আপনাগো মতন বহুত নব্য রাজাকার আমাগো চেনা আছে! জনাব শাহরিয়ার কবিরের মতো মানুষকে উপদেশ দেন; না? মুক্তিযোদ্ধাদের যখন লাথি মারছিলা তখন কোথায় ছিলো এই সব ফতোয়াবাজী? এটা বাঙালির বাংলাদেশ, পাকিদের না। এইখানে মানুষ থাকে, জানোয়ারেরা থাকেনা! আমার মুক্তিযোদ্ধা আব্বার হত্যার বিচার যেইদিন শেষ হবে সেইদিন একবার কাঁদবো, এর আগে নো জামাত, নো শিবির নো এনি ইসলামী দল এই বাংলায়।

    সম্পাদক সাহেব, এই সব কিসের আলামত? কেনো এইগুলো প্রশ্রয় দেওয়া হচ্ছে আপনার পত্রিকায়? এরা কারা? কেনো এইদেশের সুধীজনদের আপনার পত্রিকায় মন্তব্য লেখার নামে অপদস্থ করা হবে? এনাদের লেখা এখানে এভাবে ছাপিয়ে নব্যরাজাকারদের দাপিয়ে বেড়াবার সুযোগ দিচ্ছেন কেনো? এর আগেও সাংবাদিক গাফ্ফার চৌধুরীর লেখার ক্ষেত্রেও তাই হয়েছিলো। এই লেখা যদি কারো কাছে তথ্যবহুল মনে নাহয় তবে যুক্তি দিয়ে তাকে এই কলামে লিখতে বলুন যুক্তি খন্ডন করে। ঐসব মন্তব্য অনভিপ্রেত। সাথে আপনাদের উদ্দ্যেশ্যও প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে, নয়কি? বাধ্য হয়ে লিখলাম, আশাকরি বিষয়টি দেখবেন।

    জবাব
  18. Polash

    এই লেখক দৈনিক সংগ্রাম এর কথা লিখেছেন But উনি কোন পেপার কাটিং বা দৈনিক সংগ্রাম এ কি লেখা ছিল তা দেননি। তাই এ লেখাটি পুরপুরি superficial ও একপেশে লেখা যার উপর কোন উপসংহার টানা যায় না।

    জবাব
  19. Islam

    শাহরিয়ার সাহেব,
    আপনার এত ইসলাম প্রিয় লেখনী দেখে কান্না পাচ্ছে। আপনি বা আপনাদের ফ্রন্ট ইস্লামের জন্য কি কি করছেন, সেইটা নিয়ে আগে পোষ্ট দেন, তারপর ‘অন্যের ইসলাম’ নিয়ে কথা বইলেন।

    জবাব
  20. Rased Mehdi

    খুব ভাল লাগল। েগালাম আযম িনজামী রাজাকার আল বদরেদর িবষেয় আরো সাহসী েলখা প্রত্যাশা রইল।

    জবাব
  21. azizul hoque

    খুবই তথ্য সম্পন্ন ও প্রাঞ্জল লিখা!জামাত নিষিদ্ধ কবে হবে?এই সরকার কেন তা করছেনা?

    জবাব
  22. karki

    … যুদ্ধাপরাধের বিচার থেকে জামায়াতকে কেউ রক্ষা করতে পারবে না। সরকার বিচার না করলে, ফাঁসি না দিলে,আচিরেই তিরিশ লক্ষ শহীদের পরিবারের সদস্যরা আইন নিজের হাতে তুলে নিবে ! ’৭১ এর পাকিস্তানিদের বেজনমআ কুকুর নিজামীদের ফাঁসি দিবেই দিবে !

    জবাব
  23. দুরন্ত মাহমুদ

    শাহরিয়ার কবিরের লেখার সাথে একমত পোষন করে শুধু জানতে চাইবো সমাজতন্ত্র যদি একটি মতবাদ হতে পারে তা হলে ইসলাম কী একটি মতবাদ হতে পারেনা ?
    যে খানে ইসলামে জীবস সম্পর্কের সব কটি দিক আলোচনা করা হয়েছে । আমরা যারা তরুন প্রজন্ম মনে করছি জামাত এর ৭১ এর ভুমিকা অবশ্যই ভুল ছিল কিন্তু ইসলামী সমাজ বাস্তবায়নে জামাত বা শিবির যে পদ্ধতি অবলম্বন করছে তা যথার্ত এবং তারা বাংলাদেশকে ভালবাসে, বিশেষ করে শিবিরের নেতাদের আমি দীর্ঘ দিন দেখছি , তাদের মধ্যে এমন কিছু পাইনি যা খুবই খারাপ । নতুন প্রজন্মরে যারা শিবির করছে তাদের কে আপনি কোন দৃষ্টিতে দেখছেন বিশেষ করে যারা স্কুল কলেজ থেকে পড়ালেখা করে এখন বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজ সমূহে পড়ছে ।

    জবাব
  24. পিনাক রণ্জন দেবনাথ

    জনাব শাহরিয়ার,
    আপনার মুখে এসব এখন আর মানায় না।
    দেশে হাজারো সমস্যা বিদ্যামান। অথচ
    আপনাদের মতো পরগাছা বুদ্ধিজীবিরা আছেন
    শুধু আজাইরা কাম নিয়া।
    আপনি নিজে তো কখনো ইসলামের কথা বলেননা।
    বলেন শুধু হিন্দু-বাম-রাম-ডিজিটাল রাজাকার নিয়া।
    এসব বাদ দেন। সামনে নতুন বছর।
    তাই এইসব আউল ফাউল কাজ বাদ দিয়া দেশের উন্নয়নে অংশ নেন।

    পিনাক রণ্জন দেবনাথ

    জবাব
  25. Mamun

    Whatever mr.s kobir has writen is very nice and i think he has nothing to do except that kind of things.it is not clear that you are against of war criminals or Jamat-e- islami.cause war criminals is not only the people of Jamat-e-Islami but also the people of muslim leguge,nezame islam.and some people from awami leguge and some from BNP.but i’ve realised that unfortunately your target is only Jamat.not war criminals. whatever Moulana Nizami did in 1971 good or bad he’ll be punished.but whatever you trying to do now is totally rubbish.i do agree that Moulana Nizami was against of Bangladesh in 71’but since 1971 to till now what you did for the benefit of Bangladesh.tell us a single things that you did for the unity of Bangladesh ? as far as i know that you are trying to divide the people of Bangladesh.Bangladesh made a lot of mistake but we don’t want any more mistake,we want to look forward.and want to go to the last destination of success.IS Nizami and Jamat-e- Islami war criminal or not,court will decide not you.you should calm down and take care of you.there is a elected Government.if it necessary they’ll do it.don’t worry at all about it !

    জবাব

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল অ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—